শারীরিক মিলনের সময় এই ভুলগুলো করলে সন্তানধারণে সমস্যা হতে পারে


প্রত্যেক বিবাহিত নারীরই সন্তান ধারণের স্বপ্ন থাকে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে সন্তান আসে না, আবার কারও গর্ভে এলেও তা নষ্ট হয়ে যায়। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন থেকে চার মাসেই বেশিরভাগ গর্ভপাত ঘটে থাকে। গবেষণা বলছে, ৬০-৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে এর কারণ জেনেটিক বা জন্মগত ত্রুটি। এছাড়া জরায়ুর গঠনগত সমস্যা, একাধিকবার এমআর-ডিএন্ডসি করা, জরায়ুর টিউমার, গর্ভকালীন সংক্রমণ, গর্ভফুলের ত্রুটি, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ ও দীর্ঘমেয়াদি অসুখের মতো বিষয়গুলোও ভূমিকা রাখে। 


অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন যেমন ধূমপান, মদ্যপান, নিষিদ্ধ ওষুধের ব্যবহার, অতিরিক্ত কফি পান, হরমোনের তারতম্য, ভেজাল খাদ্য ও প্রসাধনী এবং পরিবেশ দূষণও গর্ভপাতের কারণ হতে পারে। তবে স্বামী-স্ত্রীর একই রক্তের গ্রুপ গর্ভপাত বা বন্ধ্যত্বের কারণ নয়।


### পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা

সন্তানধারণে সমস্যার কারণ জানতে প্রজননতন্ত্রের আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও হিস্টেরোসকপি করা যায়। পাশাপাশি, বিভিন্ন রক্ত পরীক্ষা এবং ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে মা-বাবার শরীরে থাকা ত্রুটি নির্ণয় করা সম্ভব।


### প্রতিকার

কারণ নির্ণয় করে যথাযথ চিকিৎসা নিলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মা সন্তান লাভে সফল হন। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে আগে থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করা সন্তান ধারণে সহায়ক হতে পারে।


### ছেলে বা মেয়ে সন্তান লাভে পরিকল্পনা

অনেকে আগ্রহী থাকেন তাদের সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে। যদিও একেবারে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়, তবে প্রাকৃতিক কিছু পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে। মূলত, মিলনের সময় ও ডিম্বপাত প্রক্রিয়ার জ্ঞান থাকলে এতে কিছুটা প্রভাব ফেলা যেতে পারে।